dark_mode
Wednesday, 17 August 2022
Logo
সিরাজগঞ্জে প্রেমিকার শোকে তরুণের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

ছবিঃ সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জে প্রেমিকার শোকে তরুণের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

সিরাজগঞ্জে পছন্দের মেয়েকে বিয়ে না করতে পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আরিফুল ইসলাম (২০) নামের এক তরুণ।

 

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাতে শাহজাদপুর উপজেলার বাওইকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

আরিফুল ইসলাম বাওইকোলা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।

 

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকেলে শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঈনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারকে বেশ কিছুদিন ধরে পছন্দের একটি মেয়েকে বিয়ে করার কথা বলে আসছিলেন আরিফুল। কিন্তু তার পারিবার এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ কারণে নিজের শয়নকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফুল। খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

 

পরিদর্শক মঈনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না ঝুলানো এবং মরদেহের গলায় দাগ রয়েছে। এজন্য ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
#এওয়াই

Share this news

Print this news

  • comment / reply_from

    face comment

    পাবনায় কলেজ শিক্ষকের বাড়ির টয়লেট থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    ডিবিবি

    পাবনায় কলেজ শিক্ষকের পরিত্যক্ত বাড়ির টয়লেট থেকে রোমিও সর্দার (৮) নামের এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

     

    সোমবার (১৫ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার চরতারাপুর গ্রামে কলেজ শিক্ষক মির্জা আলী হায়দারের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশু রোমিও ওই গ্রামের মো. মাসুদ সর্দারে ছেলে এবং চরতারাপুর বালিয়া ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

     

    স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে রোমিও বাড়ি থেকে বের হলেও আর ফেরেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একই গ্রামের বাসিন্দা ও পাবনা কলেজের শিক্ষক মির্জা আলী হায়দারে বাড়ির টয়লেট থেকে রোমিওর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আলী হায়দারসহ তার অন্য দুই ভাই শহরে বসবাস করায় বাড়িটি সবসময় তালাবদ্ধ থাকে।

     

    বাড়ির মালিক মির্জা আলী হায়দার বলেন, ‘বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকে বেশ কয়েক বছর ধরে তিন ভাই শহরের বসবাস করছি। এজন্য বাড়িটি বেশিরভাগ সময় তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকে। শিশুর মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি খুবই রহস্যজনক মনে হচ্ছে।’

     

    নিহত শিশুর বড় ভাই রকি হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকাল থেকে রোমিও নিখোঁজ ছিল। সারাদিন তার খোঁজ না পেয়ে এলাকায় মাইকিংও করা হয়। মধ্যরাতে খবর আসে পার্শ্ববর্তী মির্জা মশিউর রহমানের পরিত্যক্ত বাড়িতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে। কারা এবং কী কারণে তাকে হত্যা করেছে কিছুই বুঝতে পারছি না।’

     

    চরতারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। নিহত শিশুটির পরিবারের সঙ্গে কারো বিরোধও নেই। জড়িতদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

     

    পাবনা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মনিরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যার পর পরিত্যক্ত বাড়িতে মরদেহ লুকিয়ে রাখা হয়। রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

    #এওয়াই

    গাজীপুরে রকেটের কর্মীকে কুপিয়ে সোয়া পাঁচ লাখ টাকা ছিনতাই

    ডিবিবি

    গাজীপুরে দিন-দুপুরে শাহেদ শরীফ (২৬) নামের মোবাইল ব্যাংকিং রকেটের এক কর্মীকে কুপিয়ে পাঁচ লাখ ২২ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের খবর পাওয়া গেছে।

     

    মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর থানার এনায়েতপুর (বাগানবাড়ি) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শাহেদ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আমবাগ পশ্চিমপাড়া এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে।

     

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শাহেদ তার অপর এক সহকর্মীকে নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে গাজীপুরের কাশিপুরসহ আশপাশের এলাকার রকেটের বিভিন্ন এজেন্টের দোকান থেকে টাকা কালেকশন করেন। সেখান থেকে একটি অটোরিকশায় তারা জিরানীর দিকে যাচ্ছিলেন। ওই অটোরিকশায় তাদের সঙ্গে অন্য যাত্রীরাও ছিলেন। পথে দুই মোটরসাইকেলে চারজন ব্যক্তি অটোরিকশার গতিরোধ করে।

     

    শাহেদকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকার ব্যাগটি লুট করার চেষ্টা করে। দিতে না চাইলে শাহেদের হাতে ও পায়ে কুপিয়ে জখমের পর টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে মোটরসাইকেলযোগে চলে যায় তারা। আশপাশের লোকজন শাহেদকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কোনাবাড়ি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। শাহেদ পুলিশকে জানান, তার ব্যাগে ৫ লাখ ২২ হাজার টাকা ছিল।

     

    কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
    #এওয়াই

    বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ডিবিবি

    বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে শহরের মাটিডালী বিমান মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

     

    নিহতরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার কালিবালা এলাকার তোজাম্মেল হকের ছেলে হাবিব (২৫) এবং কর্নপুর এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে রকিবুল হাসান রকি (২৫)।

     

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা। তিনি জানান, হাবিব ও রকি মোটরসাইকেলযোগে মহাস্থানগড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মাটিডালী বিমান মোড় এলাকায় রংপুর থেকে ঢাকাগামী একটি কলাবোঝাই ট্রাক ধাক্কা দেয়। এ সময় দুজন গুরুতর আহত হয়।

     

    পরে হাবিবকে উদ্ধার করে টিএমএসএস হাসপাতালে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রকিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চালক ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
    #এওয়াই

    রাজধানীর চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

    ডিবিবি

    রাজধানীর চকবাজারের একটি পলিথিন কারখানায় আগুন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

     

    তিনি জানান, আগুন লাগার ৯ মিনিটের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করে। প্রথমে ছয়টি এবং পরে আরও দুটি এরপরে আরও দুই ইউনিট বাড়িয়ে মোট ১০ ইউনিট যোগ দেয় আগুন নিয়ন্ত্রণে। ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

     

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালবাগ থানার কামালবাগ এলাকার ৩ নম্বর দেবিদ্বার ঘাটসংলগ্ন ওই কারখানায় আগুন লাগে। এরপর আগুন পাশের একটি হোটেলও ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার পর পরই কারখানার ভেতর ও আশপাশের লোকজন দ্রুত সরে যায়। তবে তাৎক্ষণিভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

    #এওয়াই

    মাদক মামলায় আসামি ছিলেন মামুন

    ডিবিবি

    বিয়ের মাত্র আট মাসের মাথায় কলেজছাত্র মামুনকে (২২) বিয়ে করা সেই কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে মামুনের বক্তব্যে খায়রুন নাহারকে আত্নহত্যার কথা বলা হলেও মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল। স্বজনদের দাবি, মামুন মাদকাসক্ত স্ত্রীর কাছে সে নানান সময় টাকা চাইতো।


    টাকা না দিলে অশান্তি করতো। এ নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন কলেজশিক্ষিকা। এছাড়া বয়সে ছোট ছেলেকে বিয়ে নিয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীদের কটু কথা তো আছেই।

     

    নাটোর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দীন জানিয়েছেন, জেলা পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে। আর পিবিআই পুলিশ ওই ঘটনার ছায়া তদন্ত করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে জেলা পুলিশ।

     

    কী কারণে মৃত্যু হতে পারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ জানিয়েছে, মামুনের মাদকের মামলায় আসামি হওয়া, বখাটেদের সঙ্গে মারামারি, নতুন মোটরসাইকেল চাওয়া, স্বজন ও প্রতিবেশীদের কটু কথা, সংসার চালানোয় টানাপোড়েন-- এসব কারণে মানসিক চাপে ছিলেন শিক্ষিকা।

     

    শিক্ষিকার চাচাতো ভাই সাবের হোসেনের দাবি, বিয়ের ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পর থেকে খায়রুন নাহারের আত্মীয়, সহকর্মী, পরিচিতজনরা বিভিন্ন সমালোচনা করেছেন। কেউ এটাকে পজিটিভ আবার কেউ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

     

    এ নিয়ে চাপে ছিলেন খাইরুন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন তা তার বোধগম্য নয়। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি। তবে খাইরুনের আগের স্বামী বা সন্তানের পক্ষ থেকে কোনও চাপের বিষয় তারা শোনেননি।

     

    ওই শিক্ষিকার বাবার বাড়ি গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড়ের স্থানীয় কাউন্সিলর শেখ সবুজ জানান, মেয়ের পরিবার অত্যন্ত ভালো। তবে ওই ছেলে মাদকাসক্ত বলে শোনা গেছে। এই মৃত্যুর রহস্য দ্রুত উন্মোচনের দাবি করেন তিনি।

     

    এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় পৌর এলাকার খামার নাচকৈড় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। রোববার (১৪ আগস্ট) রাতে তার বাবার বাড়ি এলাকায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সন্ধ্যায় মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
    #এওয়াই

    শ্বাসরোধে কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের মৃত্যু

    ডিবিবি

    নাটোর শহরের বলারীপাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের মরদেহ উদ্ধার করা হয় রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন তিন সদস্য বিশিষ্ট গঠিত মেডিকেল টিম।

     

    গঠিত মেডিকেল টিমের প্রধান নাটোর সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সামিউল ইসলাম শান্ত জানান, মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

     

    আমরা ধারণা করছি শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তারপরও ভিসেরা রিপোর্ট আসলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

     

    রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ নিহত শিক্ষিকার স্বামী মামুনকে আটকের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি জানান, খায়রুন নাহারের বাবা-মাসহ আত্মীয়-স্বজনরা যোগাযোগ রাখতেন না। খায়রুন নাহারের কলেজের কোনো সহকর্মী তার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলতেন না। এজন্য মানসিক চাপে ছিলেন।

     

    নিহত খায়রুন নাহারের চাচাত ভাই সাবির উদ্দিন বলেন, অসম বয়সের ছাত্রকে বিয়ে করায় খায়রুন নাহারের কলেজের সহকর্মীরা তার সঙ্গে তেমন কথা বলতেন না। বাবা-মাসহ আত্মীয়-স্বজনরা যোগাযোগ রাখতেন না। বিয়ের বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ায় খায়রুন নাহার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

     

    নাটোর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দীন জানিয়েছেন, জেলা পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।

     

    আর পিবিআই পুলিশ ওই ঘটনার ছায়া তদন্ত করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে জেলা পুলিশ।

     

    পুলিশ জানিয়েছে, মামুনের মাদকের মামলায় আসামি হওয়া, বখাটেদের সঙ্গে মারামারি, নতুন মোটরসাইকেল চাওয়া, স্বজন ও প্রতিবেশীদের কটু কথা, সংসার চালানোয় টানাপোড়েন-- এসব কারণে মানসিক চাপে ছিলেন শিক্ষিকা।

     

    নাটোর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খায়রুন নাহার। প্রথমে বিয়ে করেছিলেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলায়। প্রথম স্বামীর ঘরে একজন সন্তানও ছিল। পারিবারিক কলহে সংসার বেশিদিন টিকিয়ে রাখতে পারেননি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

     

    ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রথমে পরিচয়; তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। কেটে যায় ৬ মাস, তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৩ মাসের সম্পর্কে রয়েছে ভালোবাসার গভীরতা। আর এ গভীরতা থেকেই বিয়ে করেন তারা। প্রায় আট মাস আগে বিয়ে করলেও তারা তা আত্মগোপন করেন। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। পরে এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনা হয়।

     

    তখন মামুন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, মন্তব্য কখনো গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কী বলল, সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি।

    #এওয়াই

    কি‌শোরগ‌ঞ্জে পালিয়ে বিয়ের ছয় মাস পর স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মর‌দেহ

    ডিবিবি

    কি‌শোরগ‌ঞ্জে প্রেম করে পালিয়ে বিয়ের ছয় মাস পর স্বামীর বাড়ি থেকে শাহজা‌দী না‌ফিয়া সা‌দিয়া (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মর‌দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ আগস্ট) সদর উপ‌জেলার ম‌হিনন্দ ইউনিয়নের কালাইহা‌টি গ্রা‌মে এ ঘটনা ঘ‌টে। ঘটনার পর থেকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।

     

    শাহজা‌দী না‌ফিয়া জেলার তাড়াইল উপ‌জেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের বান্দুল‌দিয়া গ্রা‌মের মৃত শাহ আব্দুল হান্না‌নের মে‌য়ে। সে শহ‌রের আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যাল‌য়ের নবম শ্রে‌ণির শিক্ষার্থী ছিল। তার স্বামী বাদশা কালাইহা‌টি গ্রা‌মের রুহুল আমি‌নের ছে‌লে।

     

    নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাদশার সঙ্গে স্কুলছাত্রী না‌ফিয়ার প্রে‌মের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়া‌রি নাফিয়াকে নি‌জের বা‌ড়ি‌তে নি‌য়ে আসেন বাদশা। গোপ‌নে কো‌র্ট অ্যাফিডেভিট ক‌রে বি‌য়েও ক‌রেন তারা। রোববার দুপু‌রে স্বামীর বা‌ড়ি‌তে ঝুলন্ত অবস্থায় নাফিয়ার মর‌দেহ পাওয়া যায়। খবর পে‌য়ে পু‌লিশ মর‌দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদ‌ন্তের জন্য কি‌শোরগঞ্জ জেনা‌রেল হাসপাতাল ম‌র্গে পাঠায়।

     

    নিহতের মা ফা‌তেমা বেগম জানান, বি‌য়ের পর থেকে বাদশা নাফিয়াকে মার‌ধর করত। হত্যার পর মেয়ের মরদেহ ঝু‌লি‌য়ে রাখা হয়েছে। মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।

     

    ‌কি‌শোরগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটা হত্যা না‌কি আত্মহত্যা ময়নাতদ‌ন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নি‌শ্চিত হওয়া যা‌বে।
    #এওয়াই

    নারায়ণগঞ্জে বিয়ের কথা বলে নারীকে ধর্ষণ

    ডিবিবি

    নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিয়ের কথা বলে এক নারীকে (৩১) ধর্ষণের অভিযোগে রোমান (৩৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, রবিবার (১৪ আগস্ট) তাকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    অভিযুক্ত রোমান নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলি এলাকার মৃত অহিদুল্লার ছেলে।

     

    এই ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

     

    মামলা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভুক্তভোগীর সঙ্গে রোমানের প্রেমের সম্পর্ক। এক পর্যায়ে রোমান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর ভাড়া বাসায় তাকে ধর্ষণ করেন। একইভাবে গত ১২ আগস্ট রাতে রোমান তাকে আবারও ধর্ষণ করে। ওই সময় ভুক্তভোগী তাকে বিয়ের কথা বললে সে অস্বীকৃতি জানায়। এই বিষয় নিয়ে চাপ দিলে রোমান তাকে হত্যা করার হুমকি দেয়।

     

    ওসি জানান, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    newsletter

    newsletter_description